
আকিব হাসান সাদ ( নিজস্ব প্রতিবেদক ): খালেদা জিয়া — বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপারসন। তিনি দীর্ঘ দিন ধরেই হৃদরোগ, কিডনি, লিভার, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।
২৩ নভেম্বর রাত থেকে শ্বাসকষ্ট অনুভব করায় রাজধানীর Evercare Hospital Dhaka-তে ভর্তি করা হয়। তাকে প্রথমে কেবিনে রাখা হয়েছিল, পরে অবস্থার অবনতিতে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে। চিকিৎসকদের বর্ণনায়, তার ফুসফুসে সংক্রমণ (লাং ইনফেকশন) রয়েছে; পাশাপাশি হৃদরোগ, লিভার ও কিডনির পুরোনো সমস্যা, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস যেসব জটিলতা রয়েছে — একসঙ্গে এগুলোর কারণে এখনকার চিকিৎসা জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ। তাঁর শারীরিক অবস্থা “অত্যন্ত সংকটাপন্ন”(critically ill / very critical) বলে পার্টি ও চিকিৎসকরা উল্লেখ করেছেন।
দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে, যারা নিয়মিত তার চিকিৎসা ও অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন। একটি পক্ষীয় সিদ্ধান্ত অনুসারে — শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে, উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার (যেমন লন্ডন বা অন্যান্য উন্নত হাসপাতালে) সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার দিক থেকে “বিদেশ নেওয়ার মতো নয়” — এমনই অবস্থানে রয়েছে। পার্টি নেতা– কর্মীরা এবং দেশবাসীকে বিপুল সংখ্যায় দোয়া ও সহায়তার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত দূর্বলতা রাজনৈতিক কাজে তার কার্যক্রমকে প্রভাবিত করতে পারে। এই সময়টা দলীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ। দেশব্যাপী নেতাদের ও সাধারণ মানুষের মধ্যে শঙ্কা, উদ্বেগ ও সহমর্মিতার ছড়াছড়ি — রাজনৈতিক সহিংসতা ও দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, মানবিক দিক থেকে। রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকেও উদ্বেগ ও দোয়ার আবেদন জানানো হয়েছে, যা তুলে ধরে যে — তার সুস্থতা শুধুই ব্যক্তিগত নয়, সামাজিক ও জাতীয় গুরুত্ব বহন করছে।
খালেদা জিয়া বর্তমানে সিসিইউতে — ফুসফুস, হৃদয়, কিডনি, লিভারসহ একাধিক জটিলতায় আক্রান্ত।
আপনার মতামত লিখুন :