
স্টাফ রিপোর্টারঃ আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস (World Friendship Day), যা বন্ধুত্বের গুরুত্ব ও ভালোবাসার বন্ধন উদযাপন করার একটি আন্তর্জাতিক দিন। প্রতি বছর জুলাই মাসের শেষ রবিবার এই দিনটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়, যা এ বছর পড়েছে ৩০ জুলাইয়ে।
এই দিবসটি কেবলমাত্র শুভেচ্ছা বিনিময়ের দিন নয়, বরং এটি একটি গভীর বার্তা বহন করে—সাম্প্রদায়িকতা, জাতি, ধর্ম, বয়স ও পেশাগত সীমার বাইরে গিয়ে একে অপরের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি। বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মাধ্যমে সমাজে সৌহার্দ্য ও সহনশীলতা গড়ে তোলার অনুপ্রেরণা দেয় এই দিবস।
ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট:
বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস পালনের সূচনা হয়েছিল ১৯৫৮ সালে, প্যারাগুয়েতে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি উদযাপন করা হয়। পরবর্তীতে ২০১১ সালে, জাতিসংঘ ৩০ জুলাইকে International Day of Friendship হিসেবে ঘোষণা দেয়। এ দিনটির লক্ষ্য ছিল বিশ্বব্যাপী শান্তি, সংহতি ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার প্রসার ঘটানো।
বাংলাদেশে উদযাপন:
বাংলাদেশেও এই দিনটি এখন বেশ জনপ্রিয়। তরুণ-তরুণীরা একে অপরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে, উপহার দিয়ে কিংবা সামাজিক মাধ্যমে বিশেষ বার্তা পোস্ট করে এই দিনটি উদযাপন করে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সামাজিক প্ল্যাটফর্মে বন্ধুত্বকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা হয় নানান অনুষ্ঠান।
বিশেষ মতামত:
আকিব হাসান সাদ,
গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক,
Access to Human Rights International (AHRI)
এই দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন:
“বন্ধুত্ব একটি মানবিক শক্তি যা জাতি, ধর্ম বা ভৌগোলিক সীমারেখার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে একত্রিত করে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে যেখানে বিদ্বেষ, সহিংসতা ও বিভাজন বাড়ছে, সেখানে বন্ধুত্বই পারে মানবাধিকার, সহনশীলতা ও শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে। বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—একটি সহানুভূতিশীল ও মানবিক সমাজ গঠনে বন্ধুত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।”
বন্ধুত্ব একটি আত্মিক সম্পর্ক, যা গড়ে ওঠে বিশ্বাস, শ্রদ্ধা ও নির্ভরতার ভিত্তিতে। আজকের দিনে আসুন, আমরা আমাদের বন্ধুদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করি—সবসময়, সব অবস্থায়।
শুভ বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস!





















আপনার মতামত লিখুন :